মেধাবী সন্তান তোফাজ্জেল ভাই

 












ফজলুল হক বাসী,,,,,উনি চোর ছিলো না!  

বরগুনা, পাথরঘাটার সন্তান, মেধাবী সন্তান তোফাজ্জেল ভাই! ভালো রেজাল্ট   নিয়ে পাথরঘাটা  কলেজে ভর্তি হন,,,,,,,,, ঠিক ঐ সময় তার ভাগ্য তার সাথে নিষ্ঠুরতা করে।

স্থানীয় চেয়ারম্যানের মেয়ের সাথে প্রেম হয়,,, তাই তার কপালে সয় নাই ঐ মেয়েকে  অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়া হয়!

তারমধ্যে বিধাতা ও তার মা- বাবা কে কিছুদিনের ব্যবধানে পৃথিবী থেকে তুলে নিয়ে যায়! 


এই অবস্থা  আপনি আমি ও পাগল হয়ে যেতাম !

শোকে কষ্ট  সে পাগল হয়ে বেড়ায়,,, বড় ভাই ছিলেন পুলিশের এসআই! তিনি তার শেষ  অভিভাবক,, তাকে তার বড় ভাই চিকিৎসা করায়!

এরমধ্যে সে বরগুনা ডিগ্রি কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়!  কিন্তু ভাগ্য তাকে ছাড়ে নাই হঠাৎ একদিন মরণ এসে তার ভাই কে ও তুলে নেয়। 

কেবল পরে থাকে কপাল পোড়া পাগলা টা!!!! 


পাগল হয়ে  আমাদের স্কুলগুলোতে, বাজারে ঘুরে বেড়াতো! 

কে খোঁজ  নিবে,,,,,,, হয়তো  খাবারের খোজে আসছিলো,,, আর   চোর বানাইলেন!  

ওরে ভাত খাওয়াইয়া মারলেন!   

পাগলের উপর শরীয়ত নাই! 

এই নিষ্পাপ  পাগল টার ে  এতো এতো কষ্   দিয়া মারা হলো!!!!

ও আল্লাহ   তুমি ও কেমনে  সহ্য করলা!!

ভাইটার তাজা প্রান ছিনিয়ে নিলো!


হায়রে মেধাবী হায়রে মেধাবী ছাত্র সমাজ


সে কি জানতো এটাই তার শেষ খাওয়া।



হুম, ধরেই নিলাম সে চোর,অশিক্ষিত, মানসিক ভারসাম্যহীন, পরিবারের কেউ নাই,  

তাই বলে কি তার বেঁচে থাকার অধিকারটুকুও নাই,

আপনারা তো শিক্ষিত ছিলেন,  

আপনারা তো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে অধ্যয়ন করতেছেন, তাহলে আপনারা কীভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গেলেন,  

ধরেই নিলাম আপনার অনেক কষ্টে অর্জিত টাকা দিয়ে মোবাইল কিনেছেন, সেই মোবাইলের জন্য আপনার খুব খারাপ লেগেছে,কিন্ত একটা জীবনের চেয়েও কী বেশি মূল্যবান ছিল, আপনি চাইলেই তাকে বাঁচাতে পারতেন কিন্তু করেননি, যখন দেখেছেন আপনাদের আঘাতের কারণে তার শরীর ফেটে মাংস বেরোচ্ছে তখনও কি মায়া লাগেনি, একবারও মনে হয়নি সেও একজন মানুষ, মনে হবেই বা কি করে আপনারা তো শিক্ষিত, হাঃহাঃহাঃ, ভাল খুবই চমৎকার শিক্ষিত হলেন কিন্ত মানুষ হতে পারলেননা,  


অবশ্যই যারা এই হত্যার সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই


Post a Comment

0 Comments